Home জাতীয় চরম বিপর্যয় ট্রেনের শিডিউলে

চরম বিপর্যয় ট্রেনের শিডিউলে

রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলো শিডিউল বিপর্যয়ে পড়েছে। বেশিরভাগ ট্রেনই নির্ধারিত সময়ের পরে ছেড়ে গেছে। উত্তর বঙ্গের ট্রেনগুলো তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বে ছেড়েছে। এতে করে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। গত দুই দিনে কমবেশি বিলম্ব হলেও ঈদ যাত্রার তৃতীয় দিন আজ  (শুক্রবার, ৯ আগস্ট) এ চিত্র ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।এ বিষয়ে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু সেতু ডাবল লেন না হওয়া পর্যন্ত এই বিপর্যয় থেকে মুক্তি মিলবে না। খবর বাংলা ট্রিবিউনের।

উত্তরের সব ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় :কমলাপুর স্টেশন থেকে রাজশাহীগামী ধুমকেতু এক্সপ্রেস শুক্রবার সকাল ছয়টায় ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ট্রেনটি স্টেশনে এসে পৌঁছায় সকাল সোয়া ১০টার পরে। এরপর ট্রেনটি ছাড়ার সম্ভাব্য সময় ১০টা ৪০ মিনিটে বলা হলেও ছেড়ে যায় সকাল ১১টায়। চিলাহাটীগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ৮টায় স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও পরে ছাড়ার নির্ধারিত সময় দেওয়া হয়েছে বেলা ১২টা ৫ মিনিটে।

রংপুরগামী রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ৯টায় ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ১২টা পর্যন্ত স্টেশনে এসে পৌঁছায়নি। দিনাজপুর-পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি কমলাপুর ছেড়ে যাওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল ১০টায়। পরে সেটি স্টেশন ছেড়েছে সকাল সাড়ে ১১টায়। রাজশাহীগামী ধুমকেতু এক্সপ্রেসের ছেড়ে যাওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল সকাল ৬টা। কিন্তুট্রেনটি রাজশাহী থেকে ১০টা ১৫ মিনিটে কমলাপুর স্টেশনের ৭ নম্বর প্ল্যাটফর্মে এসে পৌঁছায়। এসময় প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল।মুহূর্তে হুরোহুরি করে যাত্রীরা সবাই একসঙ্গে ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই ট্রেন ভরে যায়। যাত্রীদের চাপ এত বেশি যে, ট্রেনজুড়ে পা ফেলারও জায়গাটুকুও আর অবশিষ্ট ছিল না।

দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করলেও অনেক যাত্রীই আসনে বসতে পারেননি। ভিড়ের কারণে আসন খুঁজে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

একই অবস্থা দেখা গেছে, ট্রেনের ছাদেও। প্রতিটি ট্রেনের ছাদজুড়ে মানুষ আর মানুষ। রংপুর এক্সপ্রেসের যাত্রী সাবানা আক্তার বলেন, “সকাল ৯টার আগেই স্টেশনে এসে পৌঁছেছি। এখন বেলা ১২টা। সম্ভাব্য সময়ও দেওয়া হয়নি। দুপুর দুটায়ও ট্রেনে উঠতে পারবো কিনা জানি না। বাচ্চাদের নিয়ে সমস্যায় পড়েছি।”

এদিকে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন কমলাপুর স্টেশন পরিদর্শনে আসেন। তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধু সেতু ডাবল লেন না হওয়া পর্যন্ত এই বিপর্যয় থেকে মুক্তি সম্ভব না। এজন্য আগামী ২০২৩ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সেতুর লেন না বাড়িয়ে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ালে গতি আরওকমে আসবে। ফলে বিপর্যয় আরও বাড়বে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Must Read

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আরসা কমান্ডারসহ ৫ সন্ত্রাসী আটক

দ্যা নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) কমান্ডারসহ ৫ ক্যাডারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত...

দূষিত শহরের তালিকায় ফের শীর্ষে ঢাকা

দ্যা নিউজ বিডি,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ মহানগরী ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি...

নারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নিষিদ্ধ করল তালেবান

দ্যা নিউজ বিডি,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন্ন ভর্তি পরীক্ষায় নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেছে তালেবান। এ নিয়ে তালেবান সরকারের পক্ষ থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে...

আজ বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয়

দ্যা নিউজ বিডি,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় আজ ঢাকা দ্বিতীয়। মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ২৪০ রেকর্ড...

নাশকতার অভিযোগে ৫ জামায়াত নেতাকর্মী আটক

দ্যা নিউজ বিডি অনলাইন ডেস্ক: কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মধ্যকুমরপুর ও ঘোগাদহ ইউনিয়নের ঘোগাদহ এলাকা থেকে নাশকতার অভিযোগে ৫ জামায়াত নেতাকর্মীকে আটক করেছে...